বিজ্ঞাপন

সুখবর: দক্ষিণ কোরিয়ায় যাওয়া আরো সহজ করলো দেশটি

সরকারি রিক্রুটিং এজেন্সি-বোয়েসেলের মাধ্যমে চলতি বছর ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী নিবে দক্ষিণ কোরিয়া। প্রথমবারের মতো দেশটির মৎস্য, উৎপাদন ও জাহাজ নির্মাণশিল্পে কাজের সুযোগ পাচ্ছেন বাংলাদেশিরা।

বাংলাদেশি কর্মী নিবে দক্ষিণ কোরিয়া
বাংলাদেশি কর্মী নিবে দক্ষিণ কোরিয়া

গত শনিবার (৩০ মার্চ) এ তথ্য জানিয়েছে দেশের একমাত্র সরকারি রিক্রুটিং এজেন্সি-বোয়েসেল। জানা গেছে, ২০২৩ সালে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ৭ হাজার কোটা নির্ধারিত থাকলেও দক্ষ কর্মীর অভাবে ৫ হাজার কর্মী গেছে দেশটিতে। ফাঁকা থেকেছে ২ হাজার। এ বছর কোটা বেড়ে ১০ হাজারে দাঁড়িয়েছে। প্রথমবারের মতো দেশটির মৎস্য উৎপাদন ও জাহাজ শিল্পে কাজের সুযোগ পাচ্ছেন বাংলাদেশিরা। 

কোরিয়ায় যেতে বাংলাদেশি কর্মীদের প্রথমে কোরিয়ান ভাষা শিখে পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হতে হয়। এরপর কাঙ্ক্ষিত কাজের দক্ষতা অর্জন করে সরকারি রিক্রুটিং এজেন্সি-বোয়েসেলে আবেদনের মাধ্যমে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই মিলবে কাজের সুযোগ।

এ বিষয়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় যেতে সবধাপে উত্তীর্ণ হওয়া হারুন নামের এক ব্যাক্তি বলেন, সর্বপ্রথম পরীক্ষায় ভালো নম্বর পেতে হয়, এরপর রোস্টারভুক্ত হতে হয়। দেশটিতে যেতে পারলে মাসিক ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা পরিমান বেতন পাওয়া যাবে।

সরকারি রিক্রুটিং এজেন্সির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মল্লিক আনোয়ার হোসেন বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ায় কোটা ধরে রাখার দায়িত্ব কর্মীদের। কারণ, কোন কর্মী যদি ১ বছর এক কম্পানিতে চাকরির পর মালিকের অনুমতী নিয়ে অন্য কম্পানিতে যায়, তাহলে সেই প্রতিষ্ঠান জনবল নিবে। কিন্তু একজন কর্মী যদি কম্পানির বিরুদ্ধে অভিযোগ বা মামলা করে কর্মস্থল ত্যাগ করে তাহলে সেই কম্পানি আর জনবল নিবে না।

এ বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী বিদেশে কর্মী পাঠানোয় দক্ষতার ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা দক্ষ শ্রমিক গড়ে তুলতে কাজ করছি। যেসব প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে এগুলো সুসংগঠিত করে গতি আরও বাড়ানো হবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

বৈশিষ্ট্যযুক্ত পোস্ট

স্বপ্নগুলো ঘুমিয়ে পড়ে শহরের রাস্তায়